“ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।'- কীভাবে?
“ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।'- কীভাবে?
-
ক
পুনরায় ভুল করে
-
খ
ভুল অস্বীকার করে
-
গ
ভুল স্বীকার করে
-
ঘ
ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে
# উল্লেখিত উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'আমার পথ' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।
# আমার পথ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের সুবিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ 'রুদ্র-'মঙ্গল' থেকে সংকলন করা হয়েছে।
আমার পথ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
# ভুলের মধ্য দিয়ে কীভাবে সত্যকে পাওয়া যায়- ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে।
# নিজের প্রতি বিশ্বাস করতে শেখাচ্ছিলেন- মহাত্মা গান্ধী।
# কাকে চিনলে আত্মনির্ভরশীলতা আসে আত্মাকে।
# কবি কিসের বৈষম্যের কথা বলেছেন- ধর্ম ।
# কবি কিসের বিরুদ্ধে অভিশাপ হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন- সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
# 'আমি আছি' বলতে 'আমার পথ' প্রবন্ধে কী বোঝানো হয়েছে- গান্ধীজি আছেন ।
ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। কোনো ভুল করছি বুঝতে পারলেই আমি প্রাণ খুলে তা স্বীকার করে নেব। কিন্তু না বুঝেও নয়, ভয়েও নয়। ভুল করছি বা করেছি বুঝেও শুধু জেদের খাতিরে বা গোঁ বজায় রাখবার জন্যে ভুলটাকে ধরে থাকব না। তাহলে আমার আগুন সেই দিনই নিভে যাবে। একমাত্র মিথ্যার জলই এই শিখাকে নিভাতে পারবে। তাছাড়া কেউ নিবাতে পারবে না।
মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম। হিন্দু-মুসলমানের মিলনের অন্তরায় বা ফাঁকি কোনখানে তা দেখিয়ে দিয়ে এর গলদ দূর করা আমার এ পথের অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, আদত সত্যের মিল, সেখানে ধর্মের বৈষম্য, কোনো হিংসার দুশমনির ভাব আনে না। যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। দেশের পক্ষে যা মঙ্গলকর বা সত্য, শুধু তাই লক্ষ্য করে এই আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে পথে বাহির হলাম।
'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম এমন এক 'আমি'র আগমন প্রত্যাশা করেছেন যার পথ সত্যের পথ, সত্য প্রকাশে তিনি নির্ভীক, অসংকোচ। তিনি প্রতিটি মানুষকে পূর্ণ 'আমি' করতে চেয়েছেন, আর এভাবে প্রত্যেককে সংযোগ করে 'আমরা' হয়ে উঠতে চেয়েছেন। তাঁর এ ভাবনা সত্যপথের পথিকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন। নজরুলের এই 'আমি সত্তা' মিথ্যার ভয়কে জয় করে সত্যের আদলে নিজেকে চিনে নিতে সাহায্য করে। নজরুল বলেছেন সুস্পষ্টভাবে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে তৈরি হয় পরনির্ভরতা। কবি ভগ্ন আত্মাবিশ্বাসের পরিবর্তে দাম্ভিক হতে চান। কারণ তাঁর বিশ্বাস সত্যের দম্ভ যাদের আছে তাদের জন্য অসাধ্য সাধন করা কঠিন কাজ নয়। তিনি ভুল করতে রাজি আছেন, কিন্তু ভণ্ডামি করতে রাজি নন। তাঁর কাছে নিজেকে জানাই হল সত্যকে জানা, আর এই সত্যকে জানার মাধ্যমে মানুষ দাঁড়াতে পারে তার অস্তিত্বের ভিত্তিমূলে। নজরুল বলেছেন, মানুষের মাঝে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করতে পারলেই ধর্মের প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে, এক ধর্মের সঙ্গে অন্য ধর্মের বিরোধ মিটে যাবে। সমগ্র মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার মূল শক্তি হলো সম্প্রীতি।
Related Question
View All-
ক
ব্যথার দান
-
খ
বাঁধনহারা
-
গ
ঝিলিমিলি
-
ঘ
বিষের বাঁশি
-
ক
উপন্যাস
-
খ
গল্পগ্রন্থ
-
গ
কাব্যগ্রন্থ
-
ঘ
গীতিনাট্য
-
ক
লাঙ্গল
-
খ
প্রগতি
-
গ
সমকাল
-
ঘ
কল্লোল
-
ক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
খ
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
-
গ
কাজী নজরুল ইসলাম
-
ঘ
হুমায়ূন আহমেদ
-
ক
রিক্তের বেদন
-
খ
যুগবাণী
-
গ
চিত্তনামা
-
ঘ
সঞ্চিতা
-
ক
অগ্নিবীণা
-
খ
শিউলিমালা
-
গ
মৃত্যুক্ষুধা
-
ঘ
ঝিলিমিলি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
